কম্পিউটার আবিস্কারের পরও অনেক ধরনের সুবিধা থাকায় ল্যাপটপের সুবিধা অনেক । প্রফেশনাল কাজের জন্য যদিও কম্পিউটার বেশী কার্যকারী সেখানে এই যান্ত্রিকতার মাঝে মানুষের কাছে ল্যাপটপের চাহিদাই বেশী । বর্তমানে ল্যাপটপের জনপ্রিয়তা কতটা সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না ।

তবে ল্যাপটপ কিনে ব্যবহার করলেই হবে না। আপনার প্রয়োজনের ল্যাপটপ যেন দীর্ঘদিন সার্ভিস দেয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে । এবং আপনার প্রিয় ল্যাপটপটি যাতে দীর্ঘদিন সার্ভিস দেয় তার জন্য আপনাকে যে টিপসগুলো অনুসরণ করতে হবে ।

ব্যাটারির যত্ন:

প্রথমত ব্যাটারির যত্নই আপনার ল্যাপটপের দীর্ঘদিন সার্ভিস দেওয়ার অন্তরায় ।
১. ব্যাটারির লাইফ টাইম বাড়াতে স্কিনের ব্রাইটনেস কমিয়ে ব্যবহার করুন।
২. ব্যাটারি কানেক্টরের লাইন মাঝে মাঝে পরিষ্কার করুন।
৩. সবসময় চার্জার লাগিয়ে রেখে চার্জ দিবেন না। সপ্তাহে ২ থেকে ৩ দিন ব্যাটারি দিয়ে ল্যাপটপ চালান।

স্ক্রিনের যত্ন:

১. সরাসরি সূর্যের আলো ল্যাপটপ যেন না পড়ে সেদিক লক্ষ্য রাখুন।
২. নিয়মিত স্ক্রিন পরিস্কার রাখুন। কাজ না করলে ঢেকে রাখুন।
৩. কির্বোড ও ল্যাপটপের ডিসপ্লে ধুলোর থেকে রক্ষার জন্য স্ক্রিন ও কির্বোড প্রটেক্টর ব্যবহার করুন।

প্রসেসরের যত্ন:

১. প্রসেসরের উপর চাপ কমাতে অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম বন্ধ রাখুন।
২. হার্ডডিস্ক ও সিপিইউ এর মেইনটেন্স এর সময় কোন প্রকার কাজ করা উচিত নয়।
৩. দরকার ছাড়া অপ্রয়োজনীয় উইন্ডো গুলো মিনিমাইজ করে রাখুন।
৪. মাসে দুই তিন বার হাডর্ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্ট করুন।

অন্যান্য যে বিষয়গুলো অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে:

১. ল্যাপটপের সিডি/ডিভিডি রমের ক্ষমতা কম থাকে তাই সব সময় হার্ডডিস্ক থেকে মুভি/গান চালাবেন।
২. এয়ার ভেন্টের পথ খোলা রেখে সহজে বাতাস চলাচল করে এমন স্থানে ল্যাপটপ রেখে কাজ করুন।
৩. দরকার ছাড়া ব্লু-টুথ এবং ওয়াই-ফাই কানেকশন বন্ধ রাখুন।
৪. ম্যালওয়ার-অ্যাডওয়ার জাতীয় ক্ষতিকারক সফটওয়ার ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন এবং ভাল মানের এন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন।